লিমু ও শোয়েব এর গল্প।

সিলেট শহরের ৩০ কিলোমিটার কাছেই জঘন্নাথপুর উপজেলা। সেই উপজেলার বর কণে লিমু ও শোয়েবকে নিয়েই আমাদের আজকের ছবি গল্প।

গল্পটার শুরু আজ থেকে ৭-৮ বছর আগে। কাজিন লিমু নামের মেয়েটিকে পছন্দ করে বসে আছে শোয়েব। লজ্জা, ভয়, শঙ্কা সব নিয়ে ভালোবাসার কথা নিজের মাঝেই রেখে দেয় বছরের পর বছর। শেষ যেবার লন্ডন প্রবাসী কাজিন লিমু দেশে আসে, শোয়েব আর পারলনা নিজেকে ধরে রাখতে। লজ্জা আর ভয় ফেলে বলে ফেললো মনের কথা। এভাবেই শুরু হয় দুজনের ভালোবাসার গল্প। সেবার লিমু ফিরে যাবার সময় লুকিয়ে চোখের পানি ফেলেছিল শোয়েব। সে বুঝতে শুরু করলো হয়তো একেই বলে ভালোবাসা…… এভাবেই কেটে গেলো ৫টি বছর। এরই মাঝে লিমু আরও দুইবার দেশে এসেছিলো এবং কাঁদিয়ে গিয়েছে শোয়েবকে। এবং সময়ের পর্যায়ক্রমে পরিবার মেনে নেয় তাদের এই পবিত্র ভালোবাসা।


বাবার আদরের বড় মেয়ে লিমু। ভালবেসেছে বাংলাদেশের সাধারণ একটি গ্রামে কিন্তু তার সকল বন্ধু-বান্ধব লন্ডনে। সে চাইল তাদের বিয়ে লন্ডনেই হোক। কিন্তু বাবা কি তা মেনে নেয়? লিমুর বাবার কাছে কাছে এই বিয়ে মানে অনেক কিছু। পুরো পরিবারের এই প্রথম বিয়ে। আত্মীয় স্বজন সহ গ্রামবাসীকে বাড়ির উঠানে দাওয়াত দিয়ে খাওয়াবে এর থেকে বড় মানসিক প্রাপ্তি আর কিসে আছে? বাবা তার আদরের মেয়েটিকে কথা দিলো, “মা তোমার বিয়ে সিলেটেই হবে কিন্তু মনেই হবে না তোমার যে তুমি দেশে বিয়ে করছো। বিয়েতে কোন কিছুর কমতি হবেনা তোমার।” মেয়ে লিমু বলল, “বাবা সব বন্ধুদের বিয়ের কত সুন্দর ছবি কিন্তু দেশে বিয়ে করলে কি আমার ভালো ছবি পাবো?” মেয়ের কথা শুনে বাবা একটা বড় নিশ্বাস নিয়ে বলল, “হাঁ সবই হবে, যা তুমি চাও।” বাবা ভাবতে লাগলো হ্যাঁ ঠিকই তো বিয়ে মানে কেবল বর কনের ৫-১০টি ছবিই নয়। একটি বিয়ে মানে অনেক কিছু। দুটি মন, দুটি সত্ত্বা, দুটি পরিবারের এক হওয়া। বিয়ে মানে হাসি, কান্না, উৎসব, হট্টগোল, আবেগ আরও কত কি। বাবার কাছে মেয়ের এই সামান্য চাওয়া কি আসলেই খুব বড় কিছু?

না বাবার কাছে মেয়ের এই চাওয়া মোটেও বড় কিছু না। বিয়ের ছবি নয় সৃতিকে ধরে রাখার চ্যালেন্জ নিয়ে ইন্টানেটে ঘাটাঘাটি শুরু করেন। আজকাল সব সমস্যার সমাধান গুরুজীদের কাছে না থাকলেও ইন্টারনেটে আছে বলেই তার বিশ্বাস। তারপর খুজে পান নিজল ক্রিয়েটিভকে। অবশেষে অপেক্ষার সেই দিনের শেষ হবার পালা। পুরো বাড়ি জমে উঠলো বিয়ের বাজনায়……………

এর পরের গল্প আর লিখে বলার প্রয়োজন নাই। আমাদের এই পুরো অ্যালবামের কেবল ৩৬ টা ছবি দেখলেই পুরো গল্পটা শেষ করতে পারবেন।

 

 

লিমু শুয়েবের হলুদ ও মেহেদী অনুষ্ঠানের ছবি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

 

 

Jagannathpur upazila (sub-district) is not very far away from Sylhet City. In fact it’s just a few minutes’ drive, maybe 30 kilometers away from the city. It is in this upazila that our journey to the Photo Story lands us today; the story of the bride and groom – Limu and Shoyeb.

It started about seven or eight years ago when Limu came back to Bangladesh from London. Having grown astoundingly beautiful, she meets Shoyeb her cousin, who gradually falls in love with her. However bogged with fear and uncertainty, Shoyeb couldn’t reveal it yet, he carried it a secret every day. And as the days flew by he couldn’t find a better way to tell his cousin Limu that his heart melted for her.

His love towards Limu remained untold. Last time when Limu came back Bangladesh Shoyeb couldn’t hide how he felt towards her anymore. Overwhelmed with the beauty of love, he opened up his heart and told Limu how he felt, keeping aside his fear and uncertainty.

This is how their beautiful journey of love began, like the tiny droplets of rain in a morning so calm. Indeed when it was time for Limu to go back to London, Shoyeb couldn’t hold back his tears – he let them flow secretly.

Since then five years have passed. But Shoyeb’s love for Limu is still undying. In the meantime, Limu visited Bangladesh a couple of times and each time she left, their love left Shoyeb in tears. However, after many struggles their families finally accepted their relation.

Limu, the eldest daughter of her father from a rich family, loves a boy in the village. The wedding bells were now ringing load and every one couldn’t seem to hold their joy. Because Limu lived in London and so do many of her friends she wanted their wedding to be in London. But why would her father allow it? This was the very first wedding in the family…and as her father’s pride he’d wanted to invite the whole village to celebrate. Well any child would have understood that but not Limu.

So one morning, just before the wedding Limu’s father called her.

“Limu I want your wedding to be in Sylhet and I assure you that you wouldn’t miss the gorgeous ceremony that you would get in London,” Her father said.

“But Papa, I will miss my friends, and right here I can’t take good photography to show my friends,” Limu replied.

Limu’s father took a sigh and told her, “you will get good photos my love; don’t worry”.

Limu’s father realized that her thinking was legitimate. A wedding is not just a ceremony. It can very easily take over one’s whole life. So it’s important to hold the moment in love, passion, heartfelt emotions and the happiness.

Limu’s father realized taking pictures is not important but capturing the right moment is. But he’d heard that in these days any information was available over the web. He took the challenge to find Limu the best wedding photography in Bangladesh. He started searching on the internet and had to compare many websites… As he was almost giving up he finally found Nijol Creative photography service that he yearned for.

Finally, his girl’s dream of the best photo when it mattered would come true. And as the D-day came the whole house turned out into the melody of wedding clarinet; Limu and Shoyeb were finally tying the knot. And, how did the wedding go down?

You don’t need to read the next story anymore. You could easily realize the happy story from these 36 pictures of album.

Comments

comments